Tuesday, 2 August 2016

অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশিদের অভিবাসনের সুযোগ


অভিবাসনের কিছু বিষয় পরিবর্তন হওয়ায় অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পাচ্ছেন বাংলাদেশিরা। ছবি : সংগৃহীত
ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশ অস্ট্রেলিয়া আর দ্বীপরাষ্ট্র নিউজিল্যান্ড এখন অভিবাসনপ্রত্যাশীদের স্বর্গ। অবারিত প্রকৃতি সৌন্দর্যের পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা, উন্নত জীবনমান ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধার জন্য অভিবাসনের কেন্দ্রবিন্দুতে আছে এ দুই দেশ। পরিবর্তিত অভিবাসনের কারণে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে অভিবাসনের সুযোগ পাচ্ছেন বাংলাদেশিরা।
অভিবাসনের বিষয়ে যথেষ্ট পরিবর্তন এনেছে অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়া সরকারের অভিবাসনবিষয়ক বিভাগ ডিপার্টমেন্ট অব ইমিগ্রেশন অ্যান্ড বর্ডার প্রটেকশন (ডিআইবিপি) এরই মধ্যে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জন্য পেশাগত দক্ষতার পরিবর্তিত ও নতুন তালিকা প্রস্তুত ও প্রকাশ করেছে। ১ জুলাই থেকেই এটি কার্যকর হয়েছে।
নতুন তালিকা অনুযায়ী বিভিন্ন পেশায় দক্ষ ব্যক্তিরা সপরিবারে অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসনের জীবনযাপনের সুযোগ পাচ্ছেন। বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় সব দেশের জন্যই এ সুযোগ উন্মুক্ত।
আন্তর্জাতিক অভিবাসনবিষয়ক আইনজীবী, ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ রাজু বলেন, অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসনের ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তিতে বিশেষজ্ঞ, অ্যাকাউন্টিং ও ফিন্যান্স, মার্কেটিং বা সেলস, ব্যাংকার, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কৃষিজীবী, নার্স বা অন্য যেকোনো পেশায় দক্ষদের জন্য বিশেষ সুযোগ আছে।
অস্ট্রেলিয়ার সরকারি ওয়েবসাইটে দেখা যায়, নতুন পেশা তালিকায় যুক্ত হয়েছে। আবার কিছু বাদও পড়েছে। অস্ট্রেলিয়ার সরকারি ওয়েবসাইটে অভিবাসন বিষয়ে দেশটির ঘোষণা এবং পেশার পরিবর্তিত তালিকাটি দেখতে চাইলে ক্লিক করুন
অস্ট্রেলিয়ার সরকারি ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, আবেদন করার প্রাথমিক যোগ্যতার মধ্যে রয়েছে শিক্ষাগত যোগ্যতা, যা কাজের দক্ষতার সঙ্গে সম্পৃক্ত। আবার ইংরেজি ভাষার দক্ষতা প্রমাণের পরীক্ষা আইইএলটিএসের স্কোর নিয়েও ভিন্নতা দেখা যায়। আইইএলটিএসের সর্বনিম্ন সীমা সাড়ে চার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ আট পর্যন্ত আছে। ভাষাগত বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসনবিষয়ক ওয়েবসাইটের তথ্য দেখতে চাইলে ক্লিক করুন

অস্ট্রেলিয়ায় চিকিৎসকদের স্থায়ী অভিবাসন
ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ রাজু বলেন, স্থায়ী অভিবাসনের জন্য সারা বিশ্বের চিকিৎসকদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে আছে অস্ট্রেলিয়া। ক্লিনিক্যাল, নন-ক্লিনিক্যাল ও স্কিল মাইগ্রেশন—এ তিনটি শ্রেণিতে অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ী অভিবাসন নিতে পারেন চিকিৎসকরা।
অস্ট্রেলিয়া সরকারের অভিবাসন বিভাগের ওয়েবসাইটে চিকিৎসক হিসেবে দেশটিতে স্থায়ী অভিবাসনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য দেখতে ক্লিক করুন

নিউজিল্যান্ডে স্কিলড মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম
নিউজিল্যান্ডে নির্দিষ্ট সময় পরপর স্কিলড মাইগ্রেশন ক্যাটাগরিতে ড্র অনুষ্ঠিত হয়। বছরে প্রায় কয়েক হাজার পরিবার এই প্রোগ্রামের আওতায় নিউজিল্যান্ডের স্থায়ী নাগরিকত্ব (পিআর) পেয়ে থাকেন। এই ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশিরাও নিউজিল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ নিতে পারেন।
স্কিলড মাইগ্রেশন ক্যাটাগরি সম্পর্কে এবং এই আবেদনের শিক্ষাগত ও অন্যন্য যোগ্যতা সম্পর্কে জানানো হয় নিউজিল্যান্ডের সরকারি ওয়েবসাইটের এই ঠিকানায়
নিউজিল্যান্ডে সম্ভাব্য পেশার মধ্যে রয়েছে ফরেস্ট সায়েন্টিস্ট, কনস্ট্রাকশন প্রজেক্ট ম্যনেজার, কনস্ট্রাকশন প্রজেক্ট বিল্ডার, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, জেনারেল প্র্যাকটিশনার, প্যাথলজিস্ট, সাইকোথেরাপিস্ট, সোনোগ্রাফারসহ আরো কিছু খাত।
নিউজিল্যান্ড সরকারের ওয়েবসাইটে দেশটিতে চাহিদা থাকা বিভিন্ন পেশার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। দেখতে এই ঠিকানায় যান
অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসন বিষয়ে আরো তথ্য জানতে আন্তর্জাতিক অভিবাসনবিষয়ক আইনজীবী ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ রাজুর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত পাঠাতে পারেন এই ই-মেইল ঠিকানায় advahmed@outlook.com এবং raju.advocate2014@gmail.com।  এ ছাড়া জীবনবৃত্তান্ত পাঠাতে পারেন হোয়াটসঅ্যাপ অথবা ভাইবারে  +৬০১৬৮১২৩১৫৪ এবং +৬০১৪৩৩০০৬৩৯ নম্বরে। এ ছাড়া ভিজিট করুন www.wwbmc.com. ওয়েবসাইটে।
ঢাকার উত্তরায় ৭ নম্বর সেক্টরের ৫১ সোনারগাঁও জনপথে অবস্থিত খান টাওয়ারে ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন লিমিটেডের অফিসেও খোঁজ নিতে পারেন। ফোনে কথা বলতে পারেন ০১৯৬৬০৪১৫৫৫, ০১৯৭৭০১৪৭৭৮, ০১৯৯৩৮৪৩৩৩৯, ০১৯৯৩৮৪৩৩৪০ নম্বরে।

Monday, 1 August 2016

পেশি বাড়াতে যা করবেন

পেশি বাড়াতে সঠিক খাবার-দাবার প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ব্যায়ামের পরপর যে খাবার খাবেন, সেটি পেশির বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই খাবার পেশির বৃদ্ধির জন্য উপযুক্ত হওয়া চাই।
খাদ্যতালিকায় প্রোটিনের অভাব হলে পেশির শক্তি ব্যাহত হয় এবং বৃদ্ধি কম হয়। এ ছাড়া শরীরে চর্বি হবে না, তবে পেশি ঠিকই বৃদ্ধি পাবে—এমন খাবার নির্বাচন করা উচিত।
জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে প্রকাশিত হয়েছে এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন।
  • ডিমের মধ্যে রয়েছে অ্যামাইনো এসিড ও প্রোটিন। এ জন্য এটি দ্রুত পেশি বাড়াতে কাজ করে। এর মধ্যে রয়েছে আয়রন, জিংক, ক্যালসিয়াম ইত্যাদি। এ ছাড়া ভিটামিন বি, কে, ই, এ রয়েছে ডিমের ভেতর।
  • দুধের মধ্যে রয়েছে প্রোটিন। এ ছাড়া এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ও মিনারেল। পেশিকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। ব্যায়ামের পর দুধ খাওয়া ভালো।
  • কাঠবাদামের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ই, প্রোটিন ও আঁশ। পেশি ভালোভাবে তৈরির জন্য এই বিষয়গুলো খুব জরুরি।
  • পেশির বৃদ্ধির জন্য মুরগির বুকের মাংস খুব উপকারী খাবার। মুরগির মাংসের মধ্যে রয়েছে জিংক, সেলেনিয়াম, আয়রন, নায়াসিন ও ভিটামিন বি৬।
  • শরীর সুস্থ রাখতে পালংশাক খুব উপকারী। সম্প্রতি গবেষণায় বলা হয়, পেশির মাংস বাড়াতে পালংশাক বেশ ভালো উপাদান। এর মধ্যে ক্যালসিয়াম রয়েছে।
  • মিষ্টিআলুর মধ্যে রয়েছে পটাশিয়াম। রয়েছে আঁশ, ভিটামিন। ব্যায়ামের পর মিষ্টিআলু খাওয়া ভালো বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

যারা বাড়ী নির্মানের কথা ভাবছেন, রড, সিমেন্ট, বালি , ইটের হিসাব বুঝেন তো?

গাথুনী এব প্লাস্টারে হিসাব
১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে।
০৫” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে।
গাথুনী এব প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়।
নিচের ছলিং এ প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে।পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়।
০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়।সিএফটি অর্থাৎ ঘনফুট।
এসএফটি অর্থাৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে।কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়।
ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।* ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ওজন ১৯২০ কেজি।
* ১ ব্যাগ সিমেন্টে পানি লাগে ২১ লিটার।
* ১০০ এস,এফ,টি প্লাষ্টারে ১:৪ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ।
* গাথুনীর প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়। সিলিং প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়।
* প্রতি এস,এফ,টি নিট ফিনিশিং করতে = ০.০২৩৫ কেজি সিমেন্ট লাগে।
* মসলা ছাড়া ১ টি ইটের মাপ = (৯ ১/২”*৪ ১/২”*২ ৩/৪”)
মসলাসহ = (১০”*৫”৩”)10 mm =1 cm
100 cm = 1 m (মিটার)Convert
1″ = 25.4 mm
1″ = 2.54 cm
39.37″ = 1 m
12″ = 1′ Fit
3′ = 1 Yard (গজ)
1 Yard = 36″
72 Fit = 1 bandil.
রডের পরিমান নির্ণয় করার পদ্ধতি
10 mm = 0.616 kg/m = 3 suta
12 mm = 0.888 kg/m = 4 suta
16 mm = 1.579 kg/m = 5 suta
20 mm = 2.466 kg/m = 6 suta
22 mm = 2.983 kg/m = 7 suta
25 mm = 3.854 kg/m = 8 suta
রডের ওজন
৮ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১২০ কেজি।
১০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১৮৮ কেজি।
১২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.২৭০৬ কেজি।
১৬ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৪৮১২ কেজি।
২০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৭৫১৮ কেজি।
২২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৯০৯৭ কেজি।
২৫ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন =১.১৭৪৭ কেজি।
উপরে যে কনভার্ট সিস্টেম দেয়া হয়েছে, এর প্রতিটি যদি আপনার জানা থাকে তাহলে বাস্তবে কাজ করা আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে।যেমন, ইঞ্জিনিয়ারিং সিস্টেমে রডের আন্তর্জাতিক হিসাব করা হয় kg/m এ।আবার বাংলাদেশে সাধারন লেবারদের সাথে কাজ করার সময় এই হিসাব জানা একান্তই জরুরী এছাড়া ও নিম্নোক্ত বিষয় টিও জেনে রাখুন . . . .
8 mm -7 feet -1 kg
10 mm -5 feet -1 kg
12 mm -3.75 feet – 1 kg
16 mm -2.15feet -1kg
20 mm -1.80feet -1kg
22mm -1.1feet -1kg
রডের মাপ ফিট মেপে kg বের করা হয় ………
এই সুত্রটি মনে রাখুন ( রডের ডায়া^2 / 531,36 ) যেকোনো ডায়া রডের এক ফিটের ওজন বাহির হবে . এখনে অবশ্যই রডের ডায়া মিলি মিটারে উল্লেখ করতে হবে।
খোয়ার হিসাব
* ১ টি ইটে = ০.১১ cft খোয়া হয়।
* ১০০ টি ইটে = ১১ cft খোয়া হয়।
* ১০০০ টি ইটে = ১১১.১১ cft খোয়া হয়।
বালির হিসাব
* ১০৯ ফিট = ১২.২৫cft,
* ১০০ sft ৫” গাথুনীতে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ।
* ১০০ sft ১০” গাথুনীতে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ৪ ব্যাগ। বালু লাগে ২৪ cft।
ঢ়ালাই এর হিসাব
* ১০০ cft ঢ়ালাই এ ১:২:৪ অনুপাতে সিমেন্ট ১৭ ব্যাগ, বালু ৪৩ cft, খোয়া ৮৬ cft লাগে।
* ১ cft ঢ়ালাই এ ১:২:৪ অনুপাতে সিমেন্ট ০.১৭, বালু ০.৪৩ cft, খোয়া ০.৮৬ cft লাগে।
==============================================
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রাথমিক হিসাব নিকাস জানুনঃ
1. এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন= ৪১০ টি।
2. এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন=১১.৭৬=১২ টি
3. এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ৫০০ টি।
4. এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ১৪.২৮ টি।
5. এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের ফ্লাট সোলিং এর জন্য ইটের প্রয়োজন=৩১ টি।
6. এক বর্গমিটার সোলিং এ চিকন বালির প্রয়োজন=০.০১৫ ঘনমিটার
7. এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের হেরিং বোন বন্ডের জন্য ইটের প্রয়োজন=৫২ টি।
8. এক বর্গমিটার হেরিং বোন বন্ডের জন্য চিকন বালির প্রয়োজন=০.০৩ ঘনমিটার
9. ইটের গাঁথুনীর কাজে শুকনা মসল্লা এর পরিমাণ=৩৫%
10. এক ঘনমিটার সিমেন্ট=৩০ ব্যাগ….
11. এক বর্গমিটার নীট সিমেন্ট ফিনিশিং এর জন্য(NCF) সিমেন্টের প্রয়োজন=২.৭-৩ কেজি
12. ডিপিসি এ পাডলোর পরিমাণ সিমেন্টের ওজনের ৫% অর্থাৎ প্রতি ব্যাগ সিমেন্টের জন্য ২.৫ কেজি।
13. এক ঘনমিটার এম,এস রডের ওজন =৭৮৫০ কেজি বা ৭৮.৫০ কুইন্টাল
14. এক ব্যাগ সিমেন্টের ওজন=৫০ কেজি এবং আয়তন=০.০৩৪৭ ঘনমিটার
15. এক ব্যাগ হোয়াইট সিমেন্টের ওজন=৪০ কেজি
16. আবাসিক দালানের জন্য বাসযোগ্য ক্ষেত্রফল প্লিন্থ ক্ষেত্রফলের ৫০%-৫৬% হওয়া উচিত।
17. ১ রানিং মিটার দৈর্ঘে এন্ড এজিং এ ইটের পরিমাণ=১/.১২৭=৮ টি।
18. আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি মিটার এম.এস.রড এর ওজন নির্ণয়ের সুত্র =d2/১৬২.২ কেজি।
19. এক ঘনমিটার ছোট সাইজের খোয়ার জন্য ইটের প্রয়োজন ৩২০ টি এবং বড় সাইজের খোয়ার জন্য ৩০০ টি।
20. আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি কেজি এম.এস.রড এর র্দৈঘ্য নির্ণয়ের সুত্র =১৬২.২/d2 মিটার
21. নির্মাণ সামগ্রী বহনের জন্য চালনা দুরুত্ব ৩০ মিটার এবং উত্তোলন দুরুত্ব ১.৫ মিটার।
22. কম্প্রেশন বারে হুক ছাড়া ল্যাপিং ২৪D এবং হুকসহ ৪৪D আবার, টেনশনে হুক ছাড়া ল্যাপিং ৩০D এবং হুকসহ ৬০D.
23. জলছাদের কাজে খোয়া,চুন,সুরকির অনুপাত=৭:২:২
24. সেপটিক ট্যাংক এর নুন্যতম প্রস্থ ৬০সেমি এবং তরলের নুন্যতম গভীরতা ১ মিটার।
25. সোক ওয়েলের নুন্যতম ব্যাস ৯০ সেমি এবং গভীরতা ইনভার্ট সমতল হতে ১.৫ মিটার।
26. কালভার্ট এর স্প্যান ৬ মিটারের কম এবং ব্রিজের স্প্যান ৬ মিটারের বেশি
27. ব্রিজ এর স্ল্যাবকে ডেকস স্ল্যাব বলে।
28. ঢেউটিনের প্রমাণ দৈর্ঘ্য: (১.৮০,২.২০,২.৫০,২.৮০,৩.২০)মিটার এবং প্রস্থ ০.৮০মিটার এবং ঢেউয়ের গভীরতা ১৮ মি.মি
29. এক মিটার এম.এস অ্যাঙ্গেলের ওজন=০.০০৭৮৫A কেজি
30. একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় সিমেন্ট বহন করে ২০ ব্যাগ
31. একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় ইট বহন করে 333 টি
32. একটি এক টনি ট্রাক কাঁচা রাস্তায় সিমেন্ট বহন করে ১৩.৩৩ ব্যাগ।