Sunday, 6 November 2016

যা খেলে হিমোগ্লোবিন বাড়বে

রক্তকোষে লৌহসমৃদ্ধ একধরনের প্রোটিন হচ্ছে হিমোগ্লোবিন। এটি শরীরে অক্সিজেন পরিবহনে সাহায্য করে। সুস্থ জীবনযাপনে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা সঠিক থাকা প্রয়োজন। কিছু খাবার খেয়ে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মান ঠিক রাখা যায়।

ভারতের ফর্টিস হাসপাতালের চিকিৎসক মনোজ কে আহুজার মতে, রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে গেলে দুর্বলতা, ক্লান্তি, মাথাব্যথা, শ্বাসকষ্ট, ঝিম ধরা, ক্ষুধামান্দ্য ও দ্রুত হৃৎস্পন্দনের মতো সমস্যা দেখা যায়। যদি হিমোগ্লোবিনের মাত্রা অনেক কম হয়, তবে রক্তাল্পতা বা এর চেয়েও মারাত্মক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

চিকিৎসক আহুজার মতে, ‘সবার লৌহের দরকার হয়। তবে নারীদের ঋতুচক্রের সময়, গর্ভাবস্থায়, শিশুদের বেড়ে ওঠার সময়, রোগ থেকে সেরে ওঠার মুহূর্তে লৌহের বেশি দরকার হয়। সম্প্রতি এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে প্রাকৃতিক উপায়ে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ানোর উপায় বর্ণনা করা হয়েছে। দেখে নিন কী খেলে হিমোগ্লোবিন বাড়বে।

লৌহযুক্ত খাবার

শরীরে লৌহের ঘাটতি হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ। হিমোগ্লোবিন উৎপাদনে লোহা গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। লৌহসমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে রয়েছে মুরগির কলিজা, ঝিনুক, ডিম, আপেল, বেদানা, ডালিম, তরমুজ, কুমড়ার বিচি, খেজুর, জলপাই, কিশমিশ ইত্যাদি।

ভিটামিন সি

ভিটামিন সি-এর অভাবে হিমোগ্লোবিন কমে যেতে পারে। তা ছাড়া ভিটামিন সি ছাড়া লোহা পুরোপুরিভাবে শোষণ হয় না। পেঁপে, কমলা, লেবু, স্ট্রবেরি, গোলমরিচ, সবুজ ফুলকপি (ব্রকোলি), আঙুর, টমেটো ইত্যাদিতে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে।

ফলিক অ্যাসিড

ফলিক অ্যাসিড একপ্রকার ভিটামিন বি কমপ্লেক্স। এটি লাল রক্তকণিকা তৈরিতে প্রয়োজনীয় উপাদান। সবুজ পাতাযুক্ত সবজি, কলিজা, ভাত, শিমের বিচি, বাদাম, কলা, সবুজ ফুলকপিতে অনেক ফলিক অ্যাসিড পাওয়া যায়।

বিট

হিমোগ্লোবিন বাড়াতে বিটের রস খাওয়ার পরামর্শ দেন ডাক্তাররা। এতে রয়েছে প্রচুর আয়রন, ফলিক অ্যাসিড, ফাইবার ও পটাশিয়াম। এর পুষ্টিমান শরীরের লাল রক্তকণিকা বাড়ায়।

আপেল

দিনে একটি করে আপেল খেয়ে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখতে পারেন। আয়রনের উৎস আপেলে আরও নানা প্রকার পুষ্টি উপাদান রয়েছে। প্রতিদিন খোসাসহ একটি আপেল খান। অথবা সমানুপাতে আপেল ও বিটের রস মেশাতে পারেন।

ডালিম
আয়রন, ক্যালসিয়াম, শর্করা ও আঁশ (ফাইবার) সমৃদ্ধ ডালিম রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করে দেহে রক্ত চলাচল সচল রাখে। প্রতিদিন মাঝারি আকৃতির একটি ডালিম খাওয়ার চেষ্টা করুন। অথবা এক গ্লাস ডালিমের জুস খান। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।

Saturday, 5 November 2016

এখনকার স্মার্টফোন কেনার আগে যা দেখবেন

মোবাইল ফোন এখন মানুষের নিত্যসঙ্গী। যোগাযোগ, ছবি তোলা, ক্লাউডে তথ্য সংরক্ষণ, ইন্টারনেট ব্রাউজিং ছাড়াও স্মার্টফোন পাওয়ার ব্যাংক হিসেবেও ব্যবহার করা হচ্ছে। বাজারে এখন নানা রকম স্মার্টফোন কিনতে পাওয়া যায় বলে ফোন কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়াটা কঠিন। বাজারে অত্যাধুনিক ফিচারের ফোনগুলো তা আরও কঠিন করে তুলেছে। এ ধরনের দামি স্মার্টফোন কেনার আগে যে বিষয়গুলো মাথায় রাখা উচিত, তা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে গ্যাজেটস নাউ। দেখে নিন প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো:

তৈরির উপাদান

ফোনের স্থায়িত্ব কেমন হবে, তা মাথায় রাখতে হবে। বাজারে সাধারণত প্লাস্টিক ও ধাতব কাঠামোর ফোন পাবেন। কিছু ফোনে অবশ্য কাচের কোট দেওয়া আছে। যাঁদের হাত থেকে জিনিস প্রায় সময় পড়ে যায়, তাঁরা ধাতব বা প্লাস্টিকের ফোন কিনুন। এ ধরনের ফোনগুলো দুই থেকে তিন ফুট ওপর থেকে পড়লেও টিকে যেতে পারে।

ডিসপ্লে

ফোনের ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে ফোনের ডিসপ্লের আকার ও রেজুলেশন ঠিক করতে হবে। যাঁরা ভিডিও স্ট্রিমিং, ছবি সম্পাদনা, ভিডিও বা মুভি ডাউনলোড করেন, তাঁরা অবশ্যই সাড়ে পাঁচ থেকে ছয় ইঞ্চি ডিসপ্লের ফুল এইচডি বা কিউএইচডি ডিসপ্লের ফোন নেবেন। এর চেয়ে বড় মাপের ফোন নিলে বহন করতে সমস্যা হবে। যাঁরা সাধারণত ইন্টারনেট ব্রাউজিং, চ্যাটিং কিংবা ই-মেইল, ফেসবুক চালানোর মতো কাজে স্মার্টফোন ব্যবহার করবেন, তাঁরা পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ ইঞ্চি মাপের এইচডি বা ফুল এইচডি ডিসপ্লের ফোন নিতে পারেন।

প্রসেসর

অপারেটিং সিস্টেমের সংস্করণ, ইউজার ইন্টারফেস, বোল্টওয়্যারের মতো নানা বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে স্মার্টফোনের প্রসেসিংয়ের ক্ষমতার পার্থক্য হয়। যাঁরা স্মার্টফোনে ছবি বা ভিডিও সম্পাদনা, ডকুমেন্ট সম্পাদনা, ভারী গেম খেলা, ভিডিও স্ট্রিমিং ও স্ক্রিনে একাধিক অ্যাপ ব্যবহার করেন, তাঁরা কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন ৬৫২ বা স্ন্যাপড্রাগন ৮২০/৮২১ প্রসেসরের ফোন নিতে পারেন। এতে মাল্টিটাস্কিং-সুবিধা পাওয়া যায়। আর যাঁরা স্মার্টফোন হালকা কাজে ব্যবহার করেন, তাঁরা মিডিয়াটিক প্রসেসর ব্যবহার করতে পারেন।

ক্যামেরা

ফোনে বেশি মেগাপিক্সেল থাকা মানেই কিন্তু সে ফোনের ক্যামেরা ভালো নয়। ক্যামেরার অ্যাপারচার, আইএসও, পিক্সেলের আকার ও অটোফোকাসের মতো বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ। অধিকসংখ্যক পিক্সেল থাকা মানে ছবির আকার বড় হওয়া। অর্থাৎ, ছোট স্ক্রিনে ছবি আরও শার্প হওয়া। উৎসাহী আলোকচিত্রীরা অবশ্যই ক্যামেরার অ্যাপারচারের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেবেন। ১২ মেগাপিক্সেল বা ১৬ মেগাপিক্সেলের সেন্সরের সঙ্গে অ্যাপারচার f/2.0 বা তার নিচে হলে কম আলোতেও ভালো ছবি উঠবে। যাঁরা সাধারণ ছবি তোলেন, তাঁরা অবশ্য ৮ বা ১২ মেগাপিক্সেলের সেন্সরের সঙ্গে অ্যাপারচার f/2.0 বা f/2.2 দেখে নিতে পারেন।

ব্যাটারি
ফোন কতটা কাজে লাগান, তার ওপর নির্ভর করে ব্যাটারি ক্ষমতা দেখে নিতে হবে। যাঁরা বেশি বেশি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করেন, গেম খেলেন বা ভিডিও দেখেন, তাঁরা স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে সাড়ে তিন হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার বা তার চেয়েও বেশি ক্ষমতার ব্যাটারি নেবেন। যাঁরা গড়পড়তা বা হালকা ব্যবহারকারী, তাঁদের জন্য তিন হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারিতে কাজ চলে যাবে।

অপারেটিং সিস্টেম
এখনকার স্মার্টফোন কেনার আগে অপারেটিং সিস্টেমের সংস্করণ ও ইউজার ইন্টারফেসের বিষয়টি বিবেচনায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু ইউজার ইন্টাফেস ব্যবহার করে বারবার কাজ করা হয়, তাই এটি যত সহজ ও সাধারণ হয় ততই ভালো। নিখুঁত অ্যান্ড্রয়েডের অভিজ্ঞতা পেতে মটোরোলা, নেক্সাস/পিক্সেল, অ্যান্ড্রয়েড ওয়ানচালিত ডিভাইসগুলো ব্যবহার করা যায়। এ ছাড়া জেনইউআই, এক্সপেরিয়া ইউআই, স্যামসাং টাচউইজ, ইএমইউআইয়ের মতো ইন্টারফেসগুলোও ব্যবহারবান্ধব।

স্টোরেজ
স্মার্টফোনের স্টোরেজ বিবেচনায় ধরলে এর বেশির ভাগ জায়গা দখল করে থাকে অপারেটিং সিস্টেম ও প্রি-ইনস্টল করা অ্যাপগুলো। এ ছাড়া যেসব ফোনে ১৬ জিবি, ৩২ জিবি বা ৬৪ জিবি জায়গার কথা বলা হয়, আসলে তাতে ওই পরিমাণ জায়গা থাকে না। যাঁরা স্মার্টফোনে অল্প অ্যাপ ব্যবহার করেন, তাঁরা ৩১ জিবি স্টোরেজ আছে—এমন স্মার্টফোন নিতে পারেন। যাঁরা বেশি অ্যাপ ব্যবহার করেন, তাঁরা ৬৪ বা ১২৮ জিবি স্টোরেজ আছে—এমন স্মার্টফোন পছন্দ করবেন। ১৬ জিবি স্টোরেজের স্মার্টফোন কিনলে তাতে মাইক্রোএসডি সমর্থন করে কি না, তা দেখে নেবেন।

নিরাপত্তা
এখনকার বেশির ভাগ ফোনেই বাড়তি নিরাপত্তা ফিচার থাকে। যেমন ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা আইরিশ সেনসর। এসব ফিচার কেবল ফোন লক-আনলকের কাজেই নয়, বরং নির্দিষ্ট ফাইলে পাসওয়ার্ড দিতেও ব্যবহার করা যায়। এখনো আইরিশ স্ক্যানারের ফোন ততটা সহজলভ্য নয় বলে অন্তত বাড়তি নিরাপত্তা ফিচার আছে—এমন ফোনগুলো দেখতে পারেন।

স্পিকার
এখনকার ফোন কেনার আগে অবশ্যই অডিওর মান দেখে নেবেন। কারণ, যাঁরা ভিডিও কনফারেন্স বা ভিডিও স্ট্রিমিং করেন, তাঁদের জন্য অডিওর মান ভালো হওয়া দরকার। যাঁরা চলতি পথে বিনোদন পছন্দ করেন, তাঁরা সামনের দিকে স্পিকারযুক্ত ফোন কিনতে পারেন। যাঁরা সাধারণ কাজে ফোন ব্যবহার করবেন, তাঁদের জন্য পেছনে স্পিকারযুক্ত স্মার্টফোন কিনলেও সমস্যা নেই।

হেডফোন জ্যাক
স্মার্টফোনে কোন ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হচ্ছে, তা বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ। এখনকার স্মার্টফোনে মাইক্রো ইউএসবি ও ইউএসবি টাইপ-সি পোর্ট পাওয়া যায়। সুবিধার কথা বিবেচনায় ইউএসবি টাইপ-সি বেছে নেওয়া ঠিক হবে। কারণ, এটি প্লাগ ইন করা সহজ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের পোর্টের ব্যবহার বাড়বে। তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

Friday, 21 October 2016

ওয়ারেন বাফেট এর উক্তি

উপার্জন : কখনই আয়ের একমাত্র উৎসের উপর নির্ভর করবেনা, বিনিয়োগের মাধ্যমে আরেকটি উৎস তৈরি করুন

খরচ : আপনার যা প্রয়োজন নেই তা যদি আপনি ক্রয় করেন, তবে শিঘ্রই আপনার যা প্রয়োজন তা বিক্রি করতে হবে

সঞ্চয় : খরচের পর যা অবশিষ্ট থাকে তা সঞ্চয় না করে বরং সঞ্চয়ের পর যা অবশিষ্ট থাকে তা খরচ করুন

ঝুঁকি : আপনার উভয় পা ডুবিয়ে দিয়ে কখনই নদীর গভীরতা মাপবেন না

বিনিয়োগ : কখনই সব ডিম এক ঝুড়িতে রাখবেন না

প্রত্যাশা : সততা খুবই দামি একটি উপহার, তা কখনই সস্তা লোকেদের নিকট থেকে আশা করবেন না

Wednesday, 19 October 2016

সবচেয়ে কম IELTS এ কানাডায় স্থায়ীভাবে অভিবাসনের সুযোগ

চলতি বছরে কানাডায় প্রচলিত বিভিন্ন প্রোগ্রামের অধীনে সারা বিশ্ব থেকে প্রায় ৩,৫০,০০০ জন লোক বসবাস, কাজ ও স্থায়ী নাগরিকত্বের সুযোগ পাচ্ছে।কানাডার সরকার ইতিমধ্যে এই লক্ষ্যে তাদের কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছে। সর্বাধিক সংখ্যক আবেদন বা আবেদনকারীগনের নিকট পছন্দের শীর্ষে FSW & Express Entry প্রোগ্রাম। তাছাড়া বিপুল সংখ্যক লোকজন বিভিন্ন PNP প্রোগ্রামের মাধ্যমেও কানাডায় যাবার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।এক্ষেত্রে বলাই যায় এশিয়া মহাদেশের লোকজনও কোনভাবেই অভিবাসনের ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকবে না।
Express Entry
Express Entry, the new Canadian immigration selection system, strives to make the immigration process simple and quicker for candidate. Processing time: 9-12 months. No quota of NOC, No limitation of numbers. IELTS 7.5, Age bellow 30 years. 2015 সাল থেকে প্রোগ্রামটি চলছে।
Express Entry ছাড়াও Provincial Nomination Program (PNP) এর মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে এবং সহজেই কানাডাতে সপরিবারে নাগরিকত্ব লাভের সুযোগ পাওয়া যায়। IT Professional, Engineer, Manager, HR, Admin, Finance, Accounting, Sales & Marketing, Admin(HR), Information System Analysis & Consultants, Media Developers, Medical Representative, University Professor and Lecturer, Retails Sales Supervisor, Graphic Designer & Illustrators, Doctors, Nurse, Pharmacist, Bankers ইত্যাদি পেশাজীবিদের জন্য এখন চালু আছে:
Saskatchewan Immigrant Nominee Program (SINP):
Saskatchewan কানাডার মধ্যে সবচেয়ে সমৃদ্ধশালী প্রদেশ্‌। এখানে কিছু বিশেষ পেশাজীবীরা চাইলেই অতি সহজে স্থায়ী নাগরিকত্ব গ্রহন করতে পারেন।আপনি যদি
· কম্পিউটার সিস্টেম ইন্জিনিয়ার বা অ্যানালিস্ট
· এন.জি.ও কর্মকর্তা/সোশ্যাল ওয়ার্কার/প্রজেক্ট ম্যানেজার
· Agricultural ম্যানেজার /কৃষি কর্মকর্তা
· Supply chain/purchases manager/Merchandiser
· Mathematician/ Statistician
· Civil Engineer
· Mechanical Engineer হয়ে থাকেন এবং 2 বছরের কাজের অভিজ্ঞতা সহ নুন্যতম ৫.৫ আইইএলটিএস স্কোর থাকে তবে আর দেরী না করে এখনই পরিবার সহ আবেদন করূন।এ ক্ষেত্রে অবশ্যেই আপনাকে গ্র্যাজুয়েট হতে হবে
British Colombia Provincial Program:
IELTS এ 5.5 সহ 2 বছরের কাজের অভিজ্ঞ ব্যাক্তিরা শুধুমাত্র গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রী থাকলেই কানাডার অন্যতম সুন্দর এই প্রদেশে আপনি আবেদন করতে পারেন।
British Colombia Provincial Program। যা চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত, Express Entry BC – Skilled Worker ও International Graduate এবং Skills Immigration : Skilled Worker ও Entry Level Semi-Skilled
Manitoba Provincial Nominee Program (MPNP):
যারা অতি দ্রুত কানাডায় যেতে ইচ্ছুক, তারা এখনই আবেদন করতে পারেন মেনিটোভা প্রভিনশিয়াল নমিনি প্রোগ্রামে। যাতে নুন্যতম ৫.৫ আইইএলটিএস হলেই হবে এবং 2 বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকলেই হবে। ।তাছাড়া টেক্সটাইল,এগ্রিকালচার,গার্মেন্টস,ম্যানুফেকচারিং,মার্চেন্ডাইজিং, কোয়ালিটি কন্ট্রোল, সাপ্লাই চেন ইত্যাদি পেশার সাথে যুক্ত আছেন,তারা নুন্যতম আইইএলটিএস ৫ তুলতে পারলেই The Morden Community Driven Immigration Initiative (MCDII) প্রোগ্রামের মাধ্যমে কানাডায় স্থায়ী হতে পারেন।এটি মুলত মেনিটোভা প্রভিনশিয়াল নমিনি প্রোগ্রামের আওতায় নির্দিষ্ট এলাকার জন্য নির্ধারিত প্রোগ্রাম। Manitoba Province Exploratory Trip/Recruitment Mission প্রোগ্রামটিও চালু রয়েছে।
New Brunswick Provincial Nominee Program (NBPNP):
এখনই আপনি Express Entry Labor Market Stream এর মাধ্যমে এই প্রোগ্রামটিতে আবেদন করতে পারবেন।CIC’s Express Entry System এর মাধ্যমে মুলত কানাডার এই প্রভিন্সটি তাদের লেবার মার্কেটের চাহিদা পুরন করে থাকে।IT Profession এর লোকজনের জন্য প্রোগ্রামটি খুবই চমৎকার।IELTS এ CLB7 For PA & CLB4 For SP সাথে মোট 67 পয়েন্ট উঠাতেই পারলেই সহজেই ইমিগ্রেশন করা যাবে।
এছাড়া Prince Edward Island PNP, Nova Scotia Provincial Program, Ontario Provincial Nominee Program.
দেশটির 11 টি Province এ High Skilled, Trade Skilled, Family Sponsorship, Express Entry, PNP, FSW, Self Employed সহ সকল ক্যাটাগরিতে কানাডিয়ান সরকার এই ইমিগ্রেশনের সুযোগ দিচ্ছে।
Trade Skilled Assessment Certificate ও Provincial Nomination ব্যতিত কোন আবেদন জমা দেয়া হয় না। Educational Qualification কমপক্ষে ডিপ্লোমা/গ্রাজুয়েট। অভিজ্ঞতা কমপক্ষে ২ বছর এবং বয়স হতে হবে 21 থেকে 53 বছরের ভিতরে। এটিই কানাডার সর্বশেষ First-Come-First Serve পদ্ধতির ইমিগ্রেশন প্রোগ্রাম।এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্টের আইনজীবী আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন ইমিগ্রেশন আইন বিশেষজ্ঞ ও সাউথ এশিয়ান ল’ইয়ার্স ফোরামের সভাপতি ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ (রাজু) এর সঙ্গে—-
কানাডায় অভিবাসন বিষয়ে আরো তথ্য জানতে আন্তর্জাতিক অভিবাসনবিষয়ক আইনজীবী, ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ রাজুর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত পাঠাতে পারেন এই ই-মেইল ঠিকানায় advahmed@outlook.com এবং worldwidemigration2021@gmail.com এ ছাড়া যোগাযোগ করতে পারেন হোয়াটসঅ্যাপ অথবা ভাইবারে +60143300639 নম্বরে। এ ছাড়া ভিজিট করতে পারেন www.wwbmc.com. ওয়েবসাইটে।
ঢাকার উত্তরায় ৭ নম্বর সেক্টরের ৫১ সোনারগাঁও জনপথে অবস্থিত খান টাওয়ারে ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন লিমিটেডের অফিসেও খোঁজ নিতে পারেন। ফোনে প্রাথমিক তথ্যর জন্য কথা বলতে পারেন 01966041555, 01977014778, 01966041888, 01993843339, 01993843340 & 01993843339

Tuesday, 4 October 2016

২০১৬ সালে পেশাজীবীদের জন্য কানাডায় অভিবাসনের আমন্ত্রণ

বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ৩ লাখ মানুষ চলতি বছর কানাডায় অভিবাসনের সুযোগ পাবে। যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে আবেদন করা যাবে এক্সপ্রেস এন্ট্রি, প্রভিনশিয়াল নমিনি প্রোগ্রাম, সেলফ অ্যামপ্লয়েড, ফ্যামিলি স্পন্সরশিপসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে।
২০১৬ সালে প্রায় ৩ লাখ মানুষকে কানাডায় অভিবাসনের সুযোগ দেওয়া হবে। কানাডা সরকারের চলতি বছরের অভিবাসন পরিকল্পনায় জানানো হয়েছে, কানাডার অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারবে—এমন লোক নেওয়া হবে এক লাখ ৬০ হাজার ৬০০ জন। ৮০ হাজার পরিবার, শরণার্থী হিসেবে ৫৫ হাজার ৮০০ জন এবং মানবিক সহায়তায় দেশটিতে যাওয়ার সুযোগ পাবে তিন হাজার ৬০০ জন। কানাডায় যেতে আগ্রহীদের জন্য এক্সপ্রেস এন্ট্রি, প্রভিনশিয়াল নমিনি প্রোগ্রাম, সেলফ অ্যামপ্লয়েড, ফ্যামিলি স্পন্সরশিপসহ বেশ কয়েকটি ক্যাটাগরি রয়েছে। প্রতিটি ক্যাটাগরিতে আবেদনের যোগ্যতা ভিন্ন। তবে সব ক্যাটাগরিতে যোগ্য ও দক্ষ ব্যক্তিদের সুযোগ দেওয়া হবে।
এক্সপ্রেস এন্ট্রি
কানাডায় অভিবাসন আবেদন করার নতুন ক্যাটাগরি এক্সপ্রেস এন্ট্রি। এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট কাজে অভিজ্ঞরা কানাডায় অভিবাসনের সুযোগ পাবেন। এক্সপ্রেস এন্ট্রির তিনটি প্রোগ্রাম আছে। এগুলো হলো—ফেডারেল স্কিলড ওয়ার্কার, ফেডারেল স্কিলড ট্রেডার্স ও কানাডিয়ান এক্সপেরিয়েন্স এন্ট্রি। তিনটি প্রোগ্রামেই আবেদনকারীদের বয়স হতে হবে ২১ থেকে ৫৩ বছরের মধ্যে। আইএলটিএস স্কোর থাকতে হবে কমপক্ষে ৫। আইইএলটিএস স্কোর ভালো হলে এবং বয়স ৩০ বছরের মধ্যে হলে সব প্রদেশেই আবেদনের সুযোগ পাওয়া যাবে। ফেডারেল স্কিলড ওয়ার্কার প্রোগ্রামে আবেদনকারীর শিক্ষাগত যোগ্যতা ডিপ্লোমা বা স্নাতক। লাগবে নির্দিষ্ট পেশায় কমপক্ষে এক বছরের অভিজ্ঞতা। আবেদনকারীদের যোগ্যতা নির্ণয় করা হবে ছয়টি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে। প্রতিটি বিষয়ে নির্দিষ্ট পয়েন্ট বরাদ্দ থাকবে। মোট ১০০ পয়েন্ট। এর মধ্যে শিক্ষা বিষয়ে ২৫, ভাষা দক্ষতায় ২৮, কাজের অভিজ্ঞতা ১৫, বয়সে ১২, কাজ নিশ্চিত করা ১০ এবং কানাডায় নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার মধ্যে বরাদ্দ থাকবে ১০ পয়েন্ট। কোনো আবেদনকারী কমপক্ষে ৬৭ পেলে আবেদন করতে পারবেন।
ফেডারেল স্কিলড ট্রেডার্স প্রোগ্রামে একটি নির্দিষ্ট ট্রেডে দক্ষ ব্যক্তিরা আবেদন করতে পারবেন। কানাডা সরকারের ইমিগ্রেশনবিষয়ক ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, আবেদনকারীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই। তবে শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকলে পয়েন্ট পাওয়া যাবে না। থাকতে হবে নির্দিষ্ট ট্রেড সার্টিফিকেট এবং কমপক্ষে দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা। গত তিন বছরের মধ্যে কানাডায় কমপক্ষে এক বছর কাজের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা আছে—এমন সব ব্যক্তি কানাডিয়ান এক্সপেরিয়েন্স ক্যাটাগরিতে আবেদন করতে পারবেন। কানাডিয়ান ন্যাশনাল অকোপেশনাল ক্লাসিফিকেশন (এনওসি) অনুযায়ী কাজের অভিজ্ঞতার পয়েন্ট হিসাব করা হবে।
প্রভিনশিয়াল নমিনি প্রোগ্রাম
পেপার বেইজড অথবা এক্সপ্রেস এন্ট্রি এই দুই পদ্ধতিতে প্রভিনশিয়াল নমিনি প্রোগ্রামে আবেদন করা যাবে। কানাডার ১১টি প্রদেশে যোগ্যতা থাকা সাপেক্ষে পেপার বেইজড আবেদন করা যাবে। বিভিন্ন প্রদেশের ওয়েবসাইটে যোগ্যতা ও কাজের সুযোগ সম্পর্কে জানা যাবে। আগ্রহীরা এক্সপ্রেস এন্ট্রির মাধ্যমেও প্রভিনশিয়াল নমিনি প্রোগ্রামে আবেদন করতে পারবেন।
সেলফ অ্যামপ্লয়েড
কানাডায় স্বনির্ভরভাবে কাজ করতে আগ্রহীরা এই প্রোগ্রামে আবেদন করতে পারবেন। প্রার্থী নির্বাচন করা হবে শিক্ষা, অভিজ্ঞতা, বয়স, ভাষাগত দক্ষতা ও মানিয়ে নেওয়া এই পাঁচটি বিষয় বিবেচনা করে।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া
আন্তর্জাতিক অভিবাসনবিষয়ক আইনজীবী ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, কানাডায় যেতে আবেদনের জন্য প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, আইইএলটিএসের কাগজপত্র, অভিজ্ঞতার সনদ, নাগরিকত্ব সনদ, পাসপোর্টের তথ্য ও একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত লাগবে। পয়েন্ট হিসাব করা হয় সব কাগজপত্র বিবেচনায় এনে। আবেদনের সময় কানাডা সরকারের নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হয়। ধরনভেদে আবেদন ফি ভিন্ন।
যাঁরা অগ্রাধিকার পাবেন
অ্যাকাউনট্যান্ট, অ্যাডমিন অ্যান্ড এইচআর, সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং, ফিন্যানশিয়াল অডিটর অ্যান্ড অ্যাকাউনট্যান্ট, রিটেইল সেলস সুপারভাইজার, ফুড সার্ভিস সুপারভাইজার, কুক, ইনফরমেশন সিস্টেম অ্যানালাইসিস অ্যান্ড কনসালটেন্ট, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, কম্পিউটার প্রোগ্রামার, ইন্টারঅ্যাকটিভ মিডিয়া ডেভেলপার, গ্রাফিকস ডিজাইনার, আইটি প্রফেশনাল, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, প্রকৌশলী, চিকিৎসক, নার্স, ফার্মাসিস্ট, মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ ও ব্যাংকার পেশাজীবীদের প্রাধান্য দেওয়া হয়।
আয়-রোজগার
কানাডায় আয়ের হিসাব করা হয় প্রতি ঘণ্টা হিসেবে। কাজভেদে প্রতি ঘণ্টায় ১৬ থেকে ২২ ডলার পর্যন্ত আয় করা যায়। যে পরিমাণ কাজ করবে, সে অনুযায়ী আয় করা যাবে।
উদ্যোক্তা সুযোগ
সুযোগ আছে উদ্যোক্তা হিসেবেও ইমিগ্রেন্ট ইনভেস্টর প্রোগ্রামের আওতায় কুইবেক প্রদেশে যেতে পারবেন উদ্যোক্তারা। এ জন্য আবেদনকারীর ১.৬ মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলারের সমান সম্পদ থাকতে হবে। পাঁচ বছরের জন্য বিনিয়োগ করতে হবে ৮ লাখ কানাডিয়ান ডলার। এ প্রোগ্রামে আবেদন চলবে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। কুইবেক এন্টারপ্রেনার প্রোগ্রাম ক্যাটাগরিতে আবেদনের জন্য কমপক্ষে তিন লাখ কানাডিয়ান ডলার ও ব্যবস্থাপক হিসেবে এক বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কুইবেক সেলফ অ্যামপ্লয়েড পারসন প্রোগ্রামে আবেদন করতে কমপক্ষে এক লাখ কানাডিয়ান ডলারের সমপরিমাণ সম্পদ থাকতে হবে। এসব ক্যাটাগরিতে বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও আইএলটিএস স্কোরের বাধ্যবাধকতা নেই।
দরকারি ওয়েবসাইট
কোন ক্যাটাগরিতে কতজন নেওয়া হবে তা জানা যাবে news.gc.ca/web/article-en.do?nid=1038699 লিংকে। অভিবাসনের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আবেদনের যোগ্যতা ও অন্যান্য তথ্য পাবেন www.cic.gc.ca/english/immigrate লিংকে। www.immigration-quebec.gouv.qc.ca/en ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কুইবেক প্রদেশে অভিবাসনের তথ্য পাওয়া যাবে। অভিবাসন সম্পর্কে আরো তথ্য জানা যাবে www.immigration.ca/en ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। কানাডার ভিসা সম্পর্কে www.canadavisa.com ওয়েবসাইটে তথ্য পাওয়া যাবে। বাংলাদেশি আবেদনকারীদের আবেদনের প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যাবে www.wwbmc.com ওয়েবসাইটে।
৩০ বছরের কম বয়সীরা বেশি সুযোগ পায়। দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা চাওয়া হলেও যাদের ৫ বছরের অভিজ্ঞতা আছে, তাদের প্রাধান্য বেশি। কাজের অভিজ্ঞতা ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সামঞ্জস্য থাকতে হবে। আইইএলটিএস স্কোর ৬.৫ থেকে ৭-এর মধ্যে রাখতে হবে। ঝুঁকি কম থাকায় উদ্যোক্তাদের জন্যও কানাডায় বিনিয়োগ লাভজনক। সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আগেভাগেই আবেদন করতে হবে। প্রার্থী চাইলে নিজেও আবেদন করতে পারেন। তবে আবেদনের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
ভুয়া বা ভুল তথ্য দিলে আবেদন বাতিল হতে পারে। একবার আবেদনপত্র বাতিল হলে পরে আবেদন করা গেলেও সম্ভাবনা কমে যায়। এ জন্য দক্ষ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আবেদন করাই ভালো। লেখক: আন্তর্জাতিক অভিবাসনবিষয়ক আইনজীবী চেয়ারম্যান, ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালটেন্টস লি.
এ বিষয়ে আরো তথ্য জানতে আন্তর্জাতিক অভিবাসনবিষয়ক আইনজীবী, ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ রাজুর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত পাঠাতে পারেন এই ই-মেইল ঠিকানায় advahmed@outlook.com এবং worldwidemigration2021@gmail.com এ ছাড়া যোগাযোগ করতে পারেন হোয়াটসঅ্যাপ অথবা ভাইবারে +৬০১৬৮১২৩১৫৪ এবং +৬০১৪৩৩০০৬৩৯ নম্বরে। এ ছাড়া ভিজিট করুন  http://www.wwbmc.com/ ওয়েবসাইটে।
ঢাকার উত্তরায় ৭ নম্বর সেক্টরের ৫১ সোনারগাঁও জনপথে অবস্থিত খান টাওয়ারে ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন লিমিটেডের অফিসেও খোঁজ নিতে পারেন। ফোনে প্রাথমিক তথ্যর জন্য কথা বলতে পারেন ০১৯৬৬০৪১৫৫৫, ০১৯৭৭০১৪৭৭৮, ০১৯৯৩৮৪৩৩৩৯, ০১৯৯৩৮৪৩৩৪০ নম্বরে।

Tuesday, 2 August 2016

অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশিদের অভিবাসনের সুযোগ


অভিবাসনের কিছু বিষয় পরিবর্তন হওয়ায় অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পাচ্ছেন বাংলাদেশিরা। ছবি : সংগৃহীত
ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশ অস্ট্রেলিয়া আর দ্বীপরাষ্ট্র নিউজিল্যান্ড এখন অভিবাসনপ্রত্যাশীদের স্বর্গ। অবারিত প্রকৃতি সৌন্দর্যের পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা, উন্নত জীবনমান ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধার জন্য অভিবাসনের কেন্দ্রবিন্দুতে আছে এ দুই দেশ। পরিবর্তিত অভিবাসনের কারণে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে অভিবাসনের সুযোগ পাচ্ছেন বাংলাদেশিরা।
অভিবাসনের বিষয়ে যথেষ্ট পরিবর্তন এনেছে অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়া সরকারের অভিবাসনবিষয়ক বিভাগ ডিপার্টমেন্ট অব ইমিগ্রেশন অ্যান্ড বর্ডার প্রটেকশন (ডিআইবিপি) এরই মধ্যে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জন্য পেশাগত দক্ষতার পরিবর্তিত ও নতুন তালিকা প্রস্তুত ও প্রকাশ করেছে। ১ জুলাই থেকেই এটি কার্যকর হয়েছে।
নতুন তালিকা অনুযায়ী বিভিন্ন পেশায় দক্ষ ব্যক্তিরা সপরিবারে অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসনের জীবনযাপনের সুযোগ পাচ্ছেন। বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় সব দেশের জন্যই এ সুযোগ উন্মুক্ত।
আন্তর্জাতিক অভিবাসনবিষয়ক আইনজীবী, ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ রাজু বলেন, অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসনের ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তিতে বিশেষজ্ঞ, অ্যাকাউন্টিং ও ফিন্যান্স, মার্কেটিং বা সেলস, ব্যাংকার, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কৃষিজীবী, নার্স বা অন্য যেকোনো পেশায় দক্ষদের জন্য বিশেষ সুযোগ আছে।
অস্ট্রেলিয়ার সরকারি ওয়েবসাইটে দেখা যায়, নতুন পেশা তালিকায় যুক্ত হয়েছে। আবার কিছু বাদও পড়েছে। অস্ট্রেলিয়ার সরকারি ওয়েবসাইটে অভিবাসন বিষয়ে দেশটির ঘোষণা এবং পেশার পরিবর্তিত তালিকাটি দেখতে চাইলে ক্লিক করুন
অস্ট্রেলিয়ার সরকারি ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, আবেদন করার প্রাথমিক যোগ্যতার মধ্যে রয়েছে শিক্ষাগত যোগ্যতা, যা কাজের দক্ষতার সঙ্গে সম্পৃক্ত। আবার ইংরেজি ভাষার দক্ষতা প্রমাণের পরীক্ষা আইইএলটিএসের স্কোর নিয়েও ভিন্নতা দেখা যায়। আইইএলটিএসের সর্বনিম্ন সীমা সাড়ে চার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ আট পর্যন্ত আছে। ভাষাগত বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসনবিষয়ক ওয়েবসাইটের তথ্য দেখতে চাইলে ক্লিক করুন

অস্ট্রেলিয়ায় চিকিৎসকদের স্থায়ী অভিবাসন
ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ রাজু বলেন, স্থায়ী অভিবাসনের জন্য সারা বিশ্বের চিকিৎসকদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে আছে অস্ট্রেলিয়া। ক্লিনিক্যাল, নন-ক্লিনিক্যাল ও স্কিল মাইগ্রেশন—এ তিনটি শ্রেণিতে অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ী অভিবাসন নিতে পারেন চিকিৎসকরা।
অস্ট্রেলিয়া সরকারের অভিবাসন বিভাগের ওয়েবসাইটে চিকিৎসক হিসেবে দেশটিতে স্থায়ী অভিবাসনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য দেখতে ক্লিক করুন

নিউজিল্যান্ডে স্কিলড মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম
নিউজিল্যান্ডে নির্দিষ্ট সময় পরপর স্কিলড মাইগ্রেশন ক্যাটাগরিতে ড্র অনুষ্ঠিত হয়। বছরে প্রায় কয়েক হাজার পরিবার এই প্রোগ্রামের আওতায় নিউজিল্যান্ডের স্থায়ী নাগরিকত্ব (পিআর) পেয়ে থাকেন। এই ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশিরাও নিউজিল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ নিতে পারেন।
স্কিলড মাইগ্রেশন ক্যাটাগরি সম্পর্কে এবং এই আবেদনের শিক্ষাগত ও অন্যন্য যোগ্যতা সম্পর্কে জানানো হয় নিউজিল্যান্ডের সরকারি ওয়েবসাইটের এই ঠিকানায়
নিউজিল্যান্ডে সম্ভাব্য পেশার মধ্যে রয়েছে ফরেস্ট সায়েন্টিস্ট, কনস্ট্রাকশন প্রজেক্ট ম্যনেজার, কনস্ট্রাকশন প্রজেক্ট বিল্ডার, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, জেনারেল প্র্যাকটিশনার, প্যাথলজিস্ট, সাইকোথেরাপিস্ট, সোনোগ্রাফারসহ আরো কিছু খাত।
নিউজিল্যান্ড সরকারের ওয়েবসাইটে দেশটিতে চাহিদা থাকা বিভিন্ন পেশার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। দেখতে এই ঠিকানায় যান
অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসন বিষয়ে আরো তথ্য জানতে আন্তর্জাতিক অভিবাসনবিষয়ক আইনজীবী ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ রাজুর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত পাঠাতে পারেন এই ই-মেইল ঠিকানায় advahmed@outlook.com এবং raju.advocate2014@gmail.com।  এ ছাড়া জীবনবৃত্তান্ত পাঠাতে পারেন হোয়াটসঅ্যাপ অথবা ভাইবারে  +৬০১৬৮১২৩১৫৪ এবং +৬০১৪৩৩০০৬৩৯ নম্বরে। এ ছাড়া ভিজিট করুন www.wwbmc.com. ওয়েবসাইটে।
ঢাকার উত্তরায় ৭ নম্বর সেক্টরের ৫১ সোনারগাঁও জনপথে অবস্থিত খান টাওয়ারে ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন লিমিটেডের অফিসেও খোঁজ নিতে পারেন। ফোনে কথা বলতে পারেন ০১৯৬৬০৪১৫৫৫, ০১৯৭৭০১৪৭৭৮, ০১৯৯৩৮৪৩৩৩৯, ০১৯৯৩৮৪৩৩৪০ নম্বরে।

Monday, 1 August 2016

পেশি বাড়াতে যা করবেন

পেশি বাড়াতে সঠিক খাবার-দাবার প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ব্যায়ামের পরপর যে খাবার খাবেন, সেটি পেশির বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই খাবার পেশির বৃদ্ধির জন্য উপযুক্ত হওয়া চাই।
খাদ্যতালিকায় প্রোটিনের অভাব হলে পেশির শক্তি ব্যাহত হয় এবং বৃদ্ধি কম হয়। এ ছাড়া শরীরে চর্বি হবে না, তবে পেশি ঠিকই বৃদ্ধি পাবে—এমন খাবার নির্বাচন করা উচিত।
জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে প্রকাশিত হয়েছে এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন।
  • ডিমের মধ্যে রয়েছে অ্যামাইনো এসিড ও প্রোটিন। এ জন্য এটি দ্রুত পেশি বাড়াতে কাজ করে। এর মধ্যে রয়েছে আয়রন, জিংক, ক্যালসিয়াম ইত্যাদি। এ ছাড়া ভিটামিন বি, কে, ই, এ রয়েছে ডিমের ভেতর।
  • দুধের মধ্যে রয়েছে প্রোটিন। এ ছাড়া এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ও মিনারেল। পেশিকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। ব্যায়ামের পর দুধ খাওয়া ভালো।
  • কাঠবাদামের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ই, প্রোটিন ও আঁশ। পেশি ভালোভাবে তৈরির জন্য এই বিষয়গুলো খুব জরুরি।
  • পেশির বৃদ্ধির জন্য মুরগির বুকের মাংস খুব উপকারী খাবার। মুরগির মাংসের মধ্যে রয়েছে জিংক, সেলেনিয়াম, আয়রন, নায়াসিন ও ভিটামিন বি৬।
  • শরীর সুস্থ রাখতে পালংশাক খুব উপকারী। সম্প্রতি গবেষণায় বলা হয়, পেশির মাংস বাড়াতে পালংশাক বেশ ভালো উপাদান। এর মধ্যে ক্যালসিয়াম রয়েছে।
  • মিষ্টিআলুর মধ্যে রয়েছে পটাশিয়াম। রয়েছে আঁশ, ভিটামিন। ব্যায়ামের পর মিষ্টিআলু খাওয়া ভালো বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

যারা বাড়ী নির্মানের কথা ভাবছেন, রড, সিমেন্ট, বালি , ইটের হিসাব বুঝেন তো?

গাথুনী এব প্লাস্টারে হিসাব
১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে।
০৫” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে।
গাথুনী এব প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়।
নিচের ছলিং এ প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে।পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়।
০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়।সিএফটি অর্থাৎ ঘনফুট।
এসএফটি অর্থাৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে।কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়।
ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।* ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ওজন ১৯২০ কেজি।
* ১ ব্যাগ সিমেন্টে পানি লাগে ২১ লিটার।
* ১০০ এস,এফ,টি প্লাষ্টারে ১:৪ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ।
* গাথুনীর প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়। সিলিং প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়।
* প্রতি এস,এফ,টি নিট ফিনিশিং করতে = ০.০২৩৫ কেজি সিমেন্ট লাগে।
* মসলা ছাড়া ১ টি ইটের মাপ = (৯ ১/২”*৪ ১/২”*২ ৩/৪”)
মসলাসহ = (১০”*৫”৩”)10 mm =1 cm
100 cm = 1 m (মিটার)Convert
1″ = 25.4 mm
1″ = 2.54 cm
39.37″ = 1 m
12″ = 1′ Fit
3′ = 1 Yard (গজ)
1 Yard = 36″
72 Fit = 1 bandil.
রডের পরিমান নির্ণয় করার পদ্ধতি
10 mm = 0.616 kg/m = 3 suta
12 mm = 0.888 kg/m = 4 suta
16 mm = 1.579 kg/m = 5 suta
20 mm = 2.466 kg/m = 6 suta
22 mm = 2.983 kg/m = 7 suta
25 mm = 3.854 kg/m = 8 suta
রডের ওজন
৮ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১২০ কেজি।
১০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১৮৮ কেজি।
১২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.২৭০৬ কেজি।
১৬ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৪৮১২ কেজি।
২০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৭৫১৮ কেজি।
২২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৯০৯৭ কেজি।
২৫ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন =১.১৭৪৭ কেজি।
উপরে যে কনভার্ট সিস্টেম দেয়া হয়েছে, এর প্রতিটি যদি আপনার জানা থাকে তাহলে বাস্তবে কাজ করা আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে।যেমন, ইঞ্জিনিয়ারিং সিস্টেমে রডের আন্তর্জাতিক হিসাব করা হয় kg/m এ।আবার বাংলাদেশে সাধারন লেবারদের সাথে কাজ করার সময় এই হিসাব জানা একান্তই জরুরী এছাড়া ও নিম্নোক্ত বিষয় টিও জেনে রাখুন . . . .
8 mm -7 feet -1 kg
10 mm -5 feet -1 kg
12 mm -3.75 feet – 1 kg
16 mm -2.15feet -1kg
20 mm -1.80feet -1kg
22mm -1.1feet -1kg
রডের মাপ ফিট মেপে kg বের করা হয় ………
এই সুত্রটি মনে রাখুন ( রডের ডায়া^2 / 531,36 ) যেকোনো ডায়া রডের এক ফিটের ওজন বাহির হবে . এখনে অবশ্যই রডের ডায়া মিলি মিটারে উল্লেখ করতে হবে।
খোয়ার হিসাব
* ১ টি ইটে = ০.১১ cft খোয়া হয়।
* ১০০ টি ইটে = ১১ cft খোয়া হয়।
* ১০০০ টি ইটে = ১১১.১১ cft খোয়া হয়।
বালির হিসাব
* ১০৯ ফিট = ১২.২৫cft,
* ১০০ sft ৫” গাথুনীতে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ।
* ১০০ sft ১০” গাথুনীতে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ৪ ব্যাগ। বালু লাগে ২৪ cft।
ঢ়ালাই এর হিসাব
* ১০০ cft ঢ়ালাই এ ১:২:৪ অনুপাতে সিমেন্ট ১৭ ব্যাগ, বালু ৪৩ cft, খোয়া ৮৬ cft লাগে।
* ১ cft ঢ়ালাই এ ১:২:৪ অনুপাতে সিমেন্ট ০.১৭, বালু ০.৪৩ cft, খোয়া ০.৮৬ cft লাগে।
==============================================
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রাথমিক হিসাব নিকাস জানুনঃ
1. এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন= ৪১০ টি।
2. এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন=১১.৭৬=১২ টি
3. এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ৫০০ টি।
4. এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ১৪.২৮ টি।
5. এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের ফ্লাট সোলিং এর জন্য ইটের প্রয়োজন=৩১ টি।
6. এক বর্গমিটার সোলিং এ চিকন বালির প্রয়োজন=০.০১৫ ঘনমিটার
7. এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের হেরিং বোন বন্ডের জন্য ইটের প্রয়োজন=৫২ টি।
8. এক বর্গমিটার হেরিং বোন বন্ডের জন্য চিকন বালির প্রয়োজন=০.০৩ ঘনমিটার
9. ইটের গাঁথুনীর কাজে শুকনা মসল্লা এর পরিমাণ=৩৫%
10. এক ঘনমিটার সিমেন্ট=৩০ ব্যাগ….
11. এক বর্গমিটার নীট সিমেন্ট ফিনিশিং এর জন্য(NCF) সিমেন্টের প্রয়োজন=২.৭-৩ কেজি
12. ডিপিসি এ পাডলোর পরিমাণ সিমেন্টের ওজনের ৫% অর্থাৎ প্রতি ব্যাগ সিমেন্টের জন্য ২.৫ কেজি।
13. এক ঘনমিটার এম,এস রডের ওজন =৭৮৫০ কেজি বা ৭৮.৫০ কুইন্টাল
14. এক ব্যাগ সিমেন্টের ওজন=৫০ কেজি এবং আয়তন=০.০৩৪৭ ঘনমিটার
15. এক ব্যাগ হোয়াইট সিমেন্টের ওজন=৪০ কেজি
16. আবাসিক দালানের জন্য বাসযোগ্য ক্ষেত্রফল প্লিন্থ ক্ষেত্রফলের ৫০%-৫৬% হওয়া উচিত।
17. ১ রানিং মিটার দৈর্ঘে এন্ড এজিং এ ইটের পরিমাণ=১/.১২৭=৮ টি।
18. আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি মিটার এম.এস.রড এর ওজন নির্ণয়ের সুত্র =d2/১৬২.২ কেজি।
19. এক ঘনমিটার ছোট সাইজের খোয়ার জন্য ইটের প্রয়োজন ৩২০ টি এবং বড় সাইজের খোয়ার জন্য ৩০০ টি।
20. আর.সি.সি কাজে ব্যবহৃত প্রতি কেজি এম.এস.রড এর র্দৈঘ্য নির্ণয়ের সুত্র =১৬২.২/d2 মিটার
21. নির্মাণ সামগ্রী বহনের জন্য চালনা দুরুত্ব ৩০ মিটার এবং উত্তোলন দুরুত্ব ১.৫ মিটার।
22. কম্প্রেশন বারে হুক ছাড়া ল্যাপিং ২৪D এবং হুকসহ ৪৪D আবার, টেনশনে হুক ছাড়া ল্যাপিং ৩০D এবং হুকসহ ৬০D.
23. জলছাদের কাজে খোয়া,চুন,সুরকির অনুপাত=৭:২:২
24. সেপটিক ট্যাংক এর নুন্যতম প্রস্থ ৬০সেমি এবং তরলের নুন্যতম গভীরতা ১ মিটার।
25. সোক ওয়েলের নুন্যতম ব্যাস ৯০ সেমি এবং গভীরতা ইনভার্ট সমতল হতে ১.৫ মিটার।
26. কালভার্ট এর স্প্যান ৬ মিটারের কম এবং ব্রিজের স্প্যান ৬ মিটারের বেশি
27. ব্রিজ এর স্ল্যাবকে ডেকস স্ল্যাব বলে।
28. ঢেউটিনের প্রমাণ দৈর্ঘ্য: (১.৮০,২.২০,২.৫০,২.৮০,৩.২০)মিটার এবং প্রস্থ ০.৮০মিটার এবং ঢেউয়ের গভীরতা ১৮ মি.মি
29. এক মিটার এম.এস অ্যাঙ্গেলের ওজন=০.০০৭৮৫A কেজি
30. একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় সিমেন্ট বহন করে ২০ ব্যাগ
31. একটি এক টনি ট্রাক পাকা রাস্তায় ইট বহন করে 333 টি
32. একটি এক টনি ট্রাক কাঁচা রাস্তায় সিমেন্ট বহন করে ১৩.৩৩ ব্যাগ।

Saturday, 23 July 2016

প্রাইজবন্ড কিনুন জমানো টাকায়

তিল তিল করে কিছু টাকা জমিয়েছেন, কিন্তু ভেবে পাচ্ছেন না কোথায় খাটাবেন। চিন্তা কী, প্রাইজবন্ড কিনে রাখুন। যেকোনো সময় আপনি ব্যাংকে স্থায়ী আমানত (এফডিআর) করতেই পারেন। কিন্তু টাকা কম হলে তো এফডিআরও করা যায় না। অল্প টাকাওয়ালাদের জন্য মোক্ষম বিকল্প প্রাইজ বন্ড।
টাকা একটু বেশি হলে এবং তুলনামূলক ঝুঁকি নিতে চাইলে আপনার জন্য খোলা আছে শেয়ারবাজার। একটি বেনিফিশিয়ারি ওনার (বিও) হিসাব থাকলেই হলো। ভালো কোম্পানি দেখে শেয়ার কিনে ফেলুন আর অপেক্ষা করুন কবে ওই শেয়ারের দর বাড়ে। আরও পথ আছে। সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন। এখনো ভালো মুনাফা পাওয়া যায় সঞ্চয়পত্রে। যদিও সবার কাছে সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে না সরকার।
কখনো এক ঝুড়িতে যেমন সব ডিম রাখতে নেই, পুরো বিনিয়োগও এক জায়গায় করতে নেই—বিনিয়োগ বিশেষজ্ঞরা সব সময়ই এই পরামর্শটি দিয়ে থাকেন। একে ন্যূনতম আমলে নিয়ে হলেও আপনি প্রাইজবন্ড কিনে রাখতে পারেন এবং যাচাই করে দেখতে পারেন ভাগ্যটাকে।
হ্যাঁ, মাত্র ১০০ টাকার প্রাইজবন্ড কিনে পেয়েও যেতে পারেন সর্বোচ্চ পুরস্কার ৬ লাখ টাকা। সমাজের সব শ্রেণির মানুষের মধ্যে সঞ্চয় প্রবণতা বৃদ্ধির জন্য জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর ‘বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড’ নামে প্রাইজবন্ড চালু করে।
প্রাইজবন্ডকে লটারি বন্ডও বলা হয়। তবে এই লটারি সেই লটারি নয়। অর্থাৎ নব্বইয়ের দশকে ক্রীড়া উন্নয়ন তহবিলের প্রচারণামূলক বিজ্ঞাপন ‘যদি লাইগ্যা যায়’-এর লটারি নয়। যেকোনো সময় এই প্রাইজবন্ড ভাঙিয়ে টাকা ফেরত নেওয়া যায়। ভাঙানো ও কেনা—দুটিই করা যায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সব ক্যাশ অফিস, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও ডাকঘর থেকে।
১৯৫৬ সালে আয়ারল্যান্ডে প্রথম চালু হয় প্রাইজবন্ড। বাংলাদেশে ১০ ও ৫০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড প্রথম চালু হয় ১৯৭৪ সালে। ১৯৯৫ সালে ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড চালু হওয়ার পর ১০ ও ৫০ টাকা মূল্যমানেরগুলো তুলে নেওয়া হয়।
১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের ড্র অনুষ্ঠিত হয় বছরে চারবার: ৩১ জানুয়ারি, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই ও ৩১ অক্টোবর। ঢাকার বিভাগীয় কমিশনারকে চেয়ারম্যান করে গঠিত একটি কমিটি ড্র অনুষ্ঠান করে থাকে। তবে কেনার দুই মাস পার হওয়ার পর প্রাইজবন্ড ড্রর আওতায় আসে।
ড্র অনুষ্ঠানের দুই বছর পর্যন্ত পুরস্কারের টাকা দাবি করা যায়। এর মধ্যে কেউ দাবি না করলে পুরস্কারের অর্থ তামাদি হয়ে সরকারি কোষাগারে ফেরত যায়।
প্রাইজবন্ডে প্রতি সিরিজের জন্য ৪৬টি পুরস্কার রয়েছে, যার মূল্যমান ১৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা। প্রথম পুরস্কার একটি ৬ লাখ টাকা, দ্বিতীয় পুরস্কার একটি ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা, তৃতীয় পুরস্কার দুটি ১ লাখ টাকা করে, চতুর্থ পুরস্কার দুটি ৫০ হাজার টাকা করে এবং পঞ্চম পুরস্কার ৪০টি ১০ হাজার টাকা করে।
জেতার পর মূল বন্ডসহ নির্ধারিত ফরমে আবেদন করলে সর্বোচ্চ দুই মাসের মধ্যে বিজয়ীকে পে-অর্ডার দেওয়া হয়। তবে পুরস্কারের টাকার ওপর কর দিতে হয় ২০ শতাংশ।
প্রাইজবন্ড বিক্রি করে সরকার সরাসরি জনগণের কাছ থেকে ঋণ নেয়। ভারত ও পাকিস্তানে ১০০ থেকে ৪০ হাজার রুপি মূল্যমানের আট ধরনের প্রাইজবন্ড থাকলেও বাংলাদেশে ২০ বছর ধরেই রয়েছে শুধু ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড।
প্রাইজবন্ড ড্র কমিটির সচিব ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মো. মাছুম পাটোয়ারী প্রথম আলোকে জানান, দেশে ৪ কোটি ৪০ লাখ পিস প্রাইজবন্ড রয়েছে এবং সরকারের পক্ষে প্রাইজবন্ডের যাবতীয় কাজ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
চাহিদা অনুযায়ী প্রাইজবন্ডের সরবরাহ নেই এবং ব্যাংক ও ডাকঘরের কর্মকর্তারা প্রাইজবন্ড কেনাবেচায় অনীহা প্রকাশ করেন—জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বাবলু কুমার সাহার কাছে এ ধরনের অভিযোগ এসেছে বলে তিনি প্রথম আলোকে জানান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের চাহিদাপত্র অনুযায়ী বাজারে প্রাইজবন্ড বিক্রি করা হয়। যদি চাহিদা থাকে, আরও বেশি প্রাইজবন্ড ছাপানো যাবে।’
* দেশে ১০ ও ৫০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড প্রথম চালু হয় ১৯৭৪ সালে। ১৯৯৫ সালে ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড চালু হওয়ার পর ১০ ও ৫০ টাকা মূল্যমানেরগুলো তুলে নেওয়া হয়
* ৩১ জানুয়ারি, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই ও ৩১ অক্টোবর ড্র। কেনার দুই মাস পার হলে প্রাইজবন্ড ড্রর আওতায় আসে

Monday, 18 July 2016

দিনে দিনেই মিলছে গাড়ির ঋণ

গাড়ি কিনতে চান? একসঙ্গে টাকার সংস্থান করতে পারছেন না? গাড়ি কিনতে এখন ঋণ দিচ্ছে বেসরকারি প্রায় সব বাণিজ্যিক ব্যাংক। ক্ষেত্রবিশেষে এক দিনেই এই ঋণ ছাড় করা হচ্ছে। যদি আপনার আবেদনের নথিপত্রে কোনো ঘাটতি না থাকে, তবে এক দিনেই মিলতে পারে গাড়ির ঋণ। এখন কোনো ব্যাংক স্বল্প সময়ে আবার কোনো ব্যাংক এক দিনেই গাড়ির ঋণের আবেদন চূড়ান্ত করছে। সুদের হারও কমিয়ে এনেছে ব্যাংকগুলো। ফলে নিজের প্রয়োজনে গাড়ি কেনা এখন কোনো স্বপ্ন নয়। কারণ, গাড়ি কিনতে দামের অর্ধেক জোগান দিচ্ছে ব্যাংক।
২০১৪ সালের আগস্টে ব্যক্তি পর্যায়ে গাড়ি কেনায় ব্যাংকঋণের সীমা দ্বিগুণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। গাড়ি কিনতে আগে ব্যাংকের ২০ লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার সুযোগ ছিল, ২০১৪ সালে তা বাড়িয়ে ৪০ লাখ টাকা করা হয়। একই সঙ্গে গাড়ি কেনায় ঋণ ও নিজস্ব অর্থের অনুপাতে পরিবর্তন এনে ৫০: ৫০ করা হয়। আগে গাড়ির দামের সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ ঋণ দিতে পারত ব্যাংক। গাড়ি ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিকলস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বারভিডা) চাপেই এ পরিবর্তন আনে বাংলাদেশ ব্যাংক।
জানা গেছে, বেসরকারি খাতের ব্র্যাক ব্যাংক এখন এক দিনেই গাড়ির ঋণের আবেদন অনুমোদন দিচ্ছে। গাড়ির দামের অর্ধেক অথবা সর্বোচ্চ ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিচ্ছে ব্যাংকটি। সুদের হার ধরা হচ্ছে ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ। ঋণ পরিশোধের মেয়াদ এক বছর থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর। যদিও ব্যাংকগুলো এ হিসাব করে মাস ভিত্তিতে। প্রতি মাসে গড়ে ১৫ থেকে ২০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে। গত মে মাসেই ১৮ কোটি টাকার গাড়ির ঋণ দিয়েছে ব্যাংকটি। এ পর্যন্ত প্রায় গাড়ির ঋণে গেছে ৮৫ কোটি টাকা। ২৫ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকা মাসিক আয়, এমন যে কেউ এই ঋণের জন্য আবেদন করতে পারেন।
ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অব রিটেইল সেলস কায়সার হামিদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘সহজ শর্ত ও কম সুদ হওয়ায় গাড়ির ঋণের গ্রাহকেরা আগের চেয়ে অনেক বেশি আগ্রহী। আমরাও চেষ্টা করছি কীভাবে সহজেই গ্রাহকদের সেবা দেওয়া যায়। নথিপত্র ঠিক থাকলে আমরা এক দিনেই ঋণ অনুমোদন করে গাড়িবিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠিয়ে দিচ্ছি।’
ঢাকা ব্যাংক গাড়ির ঋণের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ সুদ নিচ্ছে। গাড়ির দামের অর্ধেক ঋণ দিচ্ছে ব্যাংক, তবে তা কোনোভাবেই ৪০ লাখ টাকারবেশি নয়। গ্রাহকদের সহজ শর্তে ঋণ দিতে গাড়িবিক্রেতা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিও করছে ব্যাংকটি। এ পর্যন্ত প্রায় ৫০ কোটি টাকার গাড়ির ঋণ বিতরণ করেছে ঢাকা ব্যাংক।
অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) ভাইস চেয়ারম্যান ও ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ব্যাংকগুলো এখন বড় ঋণের চেয়ে ছোট ছোট ভোক্তা ঋণে বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছে। কারণ, এসব ঋণ সহজে আদায় করা যায়। ঢাকা ব্যাংকও আগের চেয়ে গাড়ির ঋণে বেশি মনোযোগ দিয়েছে।
তবে ব্যাংকের ঋণসীমা প্রযোজ্য হচ্ছে না আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে। ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান লঙ্কাবাংলা ফিন্যান্স একজন গ্রাহককে গাড়ির দামের ৮০ শতাংশ অথবা সর্বোচ্চ দেড় কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ-সুবিধা দিচ্ছে। ১২ থেকে ৭২ মাসের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে এই ঋণ। ঋণের সুদের হার ১৩ শতাংশ। একই ধরনের সুবিধায় আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইডিএলসিও ৪০ হাজার টাকার বেশি মাসিক আয়ধারী ব্যক্তিদের গাড়ির ঋণ-সুবিধা দিচ্ছে।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শুভাশীষ রায় বলেন, ‘আমরা স্বামী-স্ত্রী দুজনে চাকরিজীবী, প্রয়োজন সত্ত্বেও এত দিন গাড়ি কেনার সাধ্য হয়নি। তবে সুদের হার ও সহজ শর্তের কারণে গত জুনে ঋণ নিয়ে গাড়ি কেনা হয়েছে। এখন দুজনের চলাচলটাও সহজ হয়ে উঠেছে।’